মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৩


                     ইমাম সাহেবের ভূত দেখা                                                       


 ঘটনাটা আমাদের পাশের বাসার এক ইমাম সাহেবের ।তিনি ১ টা সরকারী মাদ্রাসাই ইংলিশ এর শিক্ষক ।এলাকাই যথেষ্ট সম্মানিত ১ জন ব্যাক্তি ।মুলত আমাদের এলাকাটা মাইজদি মূল শহরের সিনেমা হল এর পিছনে হওয়ায় ফলে সারা দিন রাতই মানুষের চলাচল থাকে ।তাই ভয়ের বা ক্ষতিকর কোন কিছু কখনও দেখিনি বা শুনি নি ।
তো পুরো ঘটনাটা হুজুর এর কাছ থেকে শোনা ।যেদিন রাতের ঘটনা ঐ রাতটাও সাধারন আর বাকি রাতের মতই ছিল ।হুজুর আনুমানিক রাত ১০টার দিকে কয়েল কিনতে দোকানে যান ।তো কয়েল কিনে ফিরের পথে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় সব অন্ধকার হয়ে যায় ।রাস্তাই চাঁদের আলো থাকায় উনার তেমন সমস্যা হয় নি ।উনি একেবারে বাসার সামনের মোড়ে এসে হঠাৎ দেখতে পেলেন এক ১৫-১৬ বছরের ছেলে কাঁদছে ।আমাদের এলাকায় বর্ষাকালে ক্ষেতে পানি থাকে তাই সারা রাত লোকে মাছ মারে ।তাই উনি ভাবলেন যে সেও হয়তো মাছ মারতে আসছে এবং হয়তো কিছু কামড়টামর দিছে ।উনি আরেকটু এগিয়ে গিয়ে থতমত খেয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন । তিনি দেখলেন যে ছেলেটির সারা গায়ে রক্ত ।মাথা ও গলা থেকে রক্ত ঝরছে ।এই দৃশ্য দেখে তিনি ভাবলেন যে একে হসপিটাল নেওয়া উচিৎ ।সেই রাস্তার উল্টা পাশে ছাত্রদের মেস ছিল ।তিনি একটু এগিয়ে কয়েকজনের নাম ধরে ডাকাডাকি করলেন কিছুক্ষণ ।১৫-২০ সেকেন্ড পর তিনি ঘুড়ে দেখেন ছেলেটি নাই ।তিনি প্রচণ্ড ভয়ে ১ দৌড়ে বাসার দরজার সামনে এসে জ্ঞান হারালেন ।আমাদের এলাকায় কিছুদিন আগেও হিন্দুরা ছিল ।তাদের মৃতদেহ পুড়নোর শ্মশান এখনও আছে ।আমরা অনেক রাতে সেখানে গিয়ে মাছ মারতাম ।কখনও ভয়ের কিছু দেখি নি ।অন্য কেউ বললে তাই ঘটনাটা বিশ্বাস করতাম না ।কিন্তু হুজুর খুবই ভদ্র এবং কম কথা বলেন ।তিনি অকারণে নিশ্চয় মিথ্যা বানিয়ে বলবেন না ।এই ঘটনার কারন উনি নিজেও বুঝতে পারেন নি ।

 লেখক
 কৌশিক রহমান

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন